গ্রামীন জনপদ, প্রকৃতি, সবুজ ধানের ক্ষেত, পাখির ডাক, ইতিহাস-ঐতিহ্য আর মানুষের জীবনের চিত্র উঠে আসে তার ক্যামেরায়। পেশায় সাংবাদিক হলেও তার শখ ভ্রমণ-এডভেনঞ্চার। মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটে চলেন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। খবরের পাশাপাশি মাটি ও মানুষের চিত্র তুলে ধরেন আতাউর রহমান ফারুক।
নরসিংদী জেলার মনোহরদী পৌরসভাতেই তার বাড়ি। মনোহরদী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা। প্রতিষ্ঠালগ্ন অর্থাৎ ১৯৮৭ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি এই প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মফস্বল সাংবাদিকতায় তিনি দৈনিক বাংলার বাণী, দৈনিক রুপালী, দৈনিক সংবাদের মনোহরদী পত্রিকার প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জার্নালের মনোহরদী প্রতিনিধি তিনি।
মজার বিষয় হচ্ছে, লেবানন দূতাবাসের মাধ্যমে ১৯৮২ সালে ফিলিস্তিন-ইসরাইল যুদ্ধে সেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। রেড ক্রিসেন্টের সহায়তায় পরে দেশে ফিরেন। "ফিলিস্তিন-ইসরাইল যুদ্ধের গেরিলা আমি" শিরোনামে তার একটি বইও আছে। এছাড়া "সুন্দরবনের খাল নদী জঙ্গলে" শিরোনামে ভ্রমন কাহিনী (বই) লিখেছেন। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মনোহরদী বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।