গতকাল (বৃহস্পতিবার) কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ এবং চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র মধ্যে ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে কানাডার অবস্থান তুলে ধরে আনন্দ বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস, সংঘর্ষের বিস্তার ঠেকানো, বৈশ্বিক অর্থনীতি আর সরবরাহ-শৃঙ্খলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব কমানোর উদ্যোগকে সমর্থন করে কানাডা। ইরানের পারমাণবিক ইস্যু আন্তর্জাতিক পরমাণু অবিস্তার ব্যবস্থার সাথে জড়িত; হরমুজ প্রণালীতে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা বিভিন্ন পক্ষের অভিন্ন স্বার্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। কানাডা চীনের সাথে শান্তির বাস্তবায়ন আর যুদ্ধ অবসানে প্রচেষ্টা চালাবে, যাতে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বাস্তবায়ন করা যায়।
জবাবে চীনের অবস্থান তুলে ধরে ওয়াং ই বলেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যু সংলাপের মাধ্যমে মোকাবিলা করা উচিত, একে সামরিক অভিযানের অজুহাত বানানো ঠিক না। সামরিক শক্তির অপব্যবহার কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করে। আন্তর্জাতিক সমাজের উচিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরুকে উত্সাহিত করা এবং রাজনৈতিক পদ্ধতিতে সমস্যা মোকাবিলার কার্যকর পদ্ধতি খুঁজে বের করা। চীন তাতে গঠনমূলক ভুমিকা পালন করবে।
ফোনালাপে দু’নেতা চীন ও কানাডার সম্পর্ক নিয়েও মত বিনিময় করেন। তাঁরা এই মর্মে একমত হন যে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির চীন সফরের সাফল্য কাজে লাগানো, বিভিন্ন পর্যায়ের সংলাপ পুনরুদ্ধার করা, এবং পারস্পরিক কল্যাণকর সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা উচিত, যাতে দ্বিপাক্ষিক নতুন কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্কের স্বাস্থ্যকর ও স্থিতিশীল উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা যায়। (সুবর্ণা/আলিম/মুক্তা)