সম্প্রতি, চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং জাতীয় গণকংগ্রেসে, চিয়াংসু প্রতিনিধিদলের সাথে আলোচনায় বলেন, উচ্চমানের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতাশক্তি বৃদ্ধির জন্য, নতুন ধরণের উত্পাদনশীল শক্তির উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিটেনের ‘স্কাই নিউজ’ চ্যানেল, সিঙ্গাপুরের পত্রিকার ‘লিয়ানহে জাওবাও’, জাপানের ‘সানকেই শিম্বুন’, আর্জেন্টিনার পত্রিকা ক্লারিন, কাজাখস্তানের ‘বিজনেস নিউজ’, ব্লুমবার্গ নিউজ এবং ভিয়েতনামের জাতীয় পরিষদের গণপ্রতিনিধি ওয়েবসাইটসহ বিভিন্ন বিদেশী সংবাদমাধ্যম সি’র এ মন্তব্য গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে।
এসব সংবাদমাধ্যম মনে করে, উদ্ভাবনকে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করে, চীন কেবল নিজস্ব উন্নয়নের ভিত্তিই মজবুত করেনি, বরং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য একটি মূল্যবান ব্যবহারিক সমাধানও প্রদান করেছে।
বস্কাই নিউজের ওয়েবসাইট ও আর্জেন্টিনার ক্লারিন সংবাদপত্র তাদের মন্তব্যে উল্লেখ করেছে যে, আগামী পাঁচ বছরে, চীন অর্থনীতিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে সংযুক্ত করবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগুলোয় স্বনির্ভরতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা তীব্রতর করবে।
ব্লুমবার্গ নিউজ, কাজাখস্তানস্কায়া প্রাভদা ও ভিয়েতনাম জাতীয় পরিষদের গণপ্রতিনিধি ওয়েবসাইট তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, চীন একটি নতুন প্রযুক্তিগত বাস্তুতন্ত্র তৈরি করছে, যা আগামী কয়েক দশক ধরে বিশ্ব অর্থনৈতিক কাঠামোকে রূপ দেবে। ব্লুমবার্গ নিউজের ওয়েবসাইটে একটি মন্তব্যে উল্লেখ করা হয় যে, যখন বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি মন্থর ও উন্নয়নের গতি পরিবর্তনশীল, প্রেসিডেন্ট সি’র বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং নতুন-মানের উত্পাদনশীল শক্তির ওপর গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা, চীনের উন্নয়ন বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে উচ্চারিত, যা বিশ্ব উন্নয়নের সাধারণ প্রবণতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। এর বিশ্বব্যাপী তাত্পর্য ও ব্যবহারিক মূল্য রয়েছে।
বিদেশী গণমাধ্যমগুলো সাধারণভাবে মনে করে, চলতি বছরের জাতীয় গণকংগ্রেস ও গণ রাজনৈতিক পরামর্শ সম্মেলনের (এনপিসি ও সিপিপিসিসি) অধিবেশনগুলো, ভবিষ্যতের নীতিগত দিকনির্দেশনা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীনের শীর্ষ নেতা সি চিন পিং ভবিষ্যতের সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতির দিকনির্দেশনা স্পষ্ট করেছেন বলেও গণমাধ্যমগুলো মন্তব্য করেছে।
(ছাই/আলিম/ওয়াং হাইমান)