সংস্কারেই আছে বৈশ্বিক শাসনের উন্নয়ন সূত্র

সংস্কারেই আছে বৈশ্বিক শাসনের উন্নয়ন সূত্র
ফেব্রুয়ারি ১৬, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: ইতিহাসের সঠিক গতিপথ নির্ধারণ করতে হলে সংস্কারের মাধ্যমে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। শুক্রবার জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের ‘চায়না ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। ওয়াং বলেন, গত এক বছরে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির ও জটিল হয়েছে; একতরফাবাদ বেড়েছে এবং বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়ন নতুন মোড়ে দাঁড়িয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং প্রস্তাবিত গ্লোবাল গভর্ন্যান্স ইনিশিয়েটিভ সার্বভৌম সমতা, আন্তর্জাতিক আইনের শাসন, বহুপাক্ষিকতা ও জনগণকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে আরও ন্যায়সঙ্গত বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিস্তৃত সমর্থন পেয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা উন্নয়নে ওয়াং ই চারটি প্রস্তাব দেন। প্রথমত, জাতিসংঘ ব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করা। দ্বিতীয়ত, দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা জোরদার করা। তৃতীয়ত, প্রকৃত বহুপাক্ষিকতা চর্চা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গণতন্ত্রীকরণ। চতুর্থত, যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। তিনি বলেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি ও পুনর্গঠন নিশ্চিত করা এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব। ইরান পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইউক্রেন সংকটে সংলাপের সুযোগ তৈরি হয়েছে—এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তিচুক্তি করা উচিত। ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইনের সীমা অতিক্রম না করা এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান বজায় রাখার ওপর জোর দেন। ওয়াং ই বলেন, চীন বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবজাতির অগ্রগতিতে দৃঢ় অবদান রাখবে এবং অভিন্ন ভবিষ্যৎ নির্মাণে কাজ চালিয়ে যাবে। তিনি ইউক্রেন ইস্যু, চীন-ইইউ ও চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্নের উত্তর দেন। সম্মেলনের ফাঁকে তিনি সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আরেকজান্ডার ভুসিচ, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ ম্যার্ৎস, ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা, আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাবলো কুইর্নো, অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিয়াটে মাইনল-রাইসিঙ্গার, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার, জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ভাডেফুল, ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ-নোয়েল বারো, নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ আইডে এবং চেক উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেত্র মাচিঙ্কার সঙ্গে বৈঠক করেন। ফয়সল/শুভ তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া

Rate This Article

How would you rate this article?

ED Desk

ED Desk

Staff Reporter

Experience in write about 5 years.

Our Editorial Standards

We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.

Fact-Checked

This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.

Expert Review

Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.

Regularly Updated

We regularly update our content to ensure it remains current.

Unbiased Coverage

We strive to present balanced information.