এপ্রিল ১: নিজেদের সামরিক আগ্রাসনের ইতিহাস গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে এবং সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মেনে সতর্কতার সঙ্গে পদক্ষেপ নিতে জাপানের প্রতি কঠোর আহ্বান জানিয়েছে চীন। আজ (বুধবার) এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে জাপানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এ কথা বলেন।
মুখপাত্র বলেন, ‘প্রতিরক্ষা’ ও ‘পাল্টা আক্রমণ’-এর আড়ালে জাপান মূলত আক্রমণাত্মক অস্ত্র মোতায়েন করেছে। এটি ‘আত্মরক্ষা’ ও ‘একচেটিয়া প্রতিরক্ষামূলক’ নীতির সীমা ছাড়িয়ে গেছে। পাশাপাশি, এটি কায়রো ঘোষণা, পটসডাম ঘোষণা ও জাপানের আত্মসমর্পণ দলিলের মতো আন্তর্জাতিক চুক্তিরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইসঙ্গে এটি জাপানের নিজস্ব সংবিধান ও অভ্যন্তরীণ নীতিমালারও পরিপন্থি।
তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে, জাপানের উগ্র ডানপন্থী শক্তিগুলো দেশের নিরাপত্তা নীতিকে আক্রমণাত্মক ও সম্প্রসারণবাদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। জাপানের এই ‘নতুন ধরনের সামরিকবাদ’ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সমাজের অত্যন্ত সতর্ক থাকা উচিত।
মাও নিং আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনীর এক কর্মকর্তা ছুরি হাতে জাপানে অবস্থিত চীনা দূতাবাসে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন। জাপান তার নিজস্ব বাহিনীর এই অব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণহীনতার বিষয়ে আত্মসমালোচনা না-করে, উল্টো বাহ্যিক হুমকির কথা অতিরঞ্জিত করে সামরিক শক্তি সম্প্রসারণে ব্যস্ত রয়েছে। এই প্রবণতাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে আখ্যা দেন চীনা মুখপাত্র।
সূত্র: সিএমজি