ছিউশি পত্রিকায় সি চিন পিংয়ের প্রবন্ধ: সামুদ্রিক অর্থনীতির উচ্চমানের উন্নয়নের ওপর জোর

ছিউশি পত্রিকায় সি চিন পিংয়ের প্রবন্ধ: সামুদ্রিক অর্থনীতির উচ্চমানের উন্নয়নের ওপর জোর

আগামীকাল (সোমবার) 'ছিউশি' পত্রিকায় চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, চীনের প্রেসিডেন্ট এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান সি চিন পিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ প্রকাশিত হবে। প্রবন্ধটির শিরোনাম 'সামুদ্রিক অর্থনীতির উচ্চমানের উন্নয়নের প্রসার'।

প্রবন্ধটিতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, চীনের সামুদ্রিক সম্পদ পরিচালনা ও উন্নয়নের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশটিতে সুশৃঙ্খলভাবে সমুদ্রের উন্নয়ন ও ব্যবহার করা হচ্ছে। সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ নীতির পর চীনের সামুদ্রিক অর্থনীতি দ্রুত উন্নয়নের যুগে প্রবেশ করেছে। চীনা বৈশিষ্ট্যের আধুনিকীকরণকে এগিয়ে নিতে অবশ্যই সমুদ্রকে দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি, সামুদ্রিক অর্থনীতির উচ্চমানের উন্নয়ন ঘটিয়ে চীনা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত একটি শক্তিশালী সামুদ্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার পথ তৈরি করতে হবে।

প্রবন্ধে সামগ্রিক কৌশলের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে: উদ্ভাবন-চালিত উন্নয়নে জোর দেওয়া, মূল প্রযুক্তিগত বাধাগুলো দ্রুত অতিক্রম করা এবং সামুদ্রিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উচ্চস্তরের স্বনির্ভরতা অর্জন করা; দক্ষ সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ, সমন্বিত স্থল-সমুদ্র ও পর্বত-সমুদ্র নীতির আওতায় সহযোগিতামূলক সমন্বয় বৃদ্ধি করা; শিল্প উন্নয়নের আধুনিকায়নের ওপর জোর দেওয়া, ঐতিহ্যবাহী সামুদ্রিক শিল্পের রূপান্তরকে উৎসাহিত করা, উদীয়মান সামুদ্রিক শিল্পের জোরালো বিকাশ, ভবিষ্যতের সামুদ্রিক শিল্পের সক্রিয় প্রসার এবং একটি আধুনিক সামুদ্রিক শিল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলা; মানবতা ও সমুদ্রের মধ্যে সম্প্রীতির ওপর জোর দেওয়া, সামুদ্রিক সম্পদের উন্নয়ন ও সুরক্ষার সমন্বয় করা, একটি টেকসই সামুদ্রিক পরিবেশ তৈরি এবং মানবতা ও সমুদ্রের ইতিবাচক মিথস্ক্রিয়ার একটি নতুন ধরন তৈরি করা। এ ছাড়া পারস্পরিক কল্যাণের ওপর গুরুত্বারোপ, বিশ্বব্যাপী সমুদ্র শাসনে সক্রিয় অংশগ্রহণ, যৌথ ও শান্তিপূর্ণভাবে সামুদ্রিক সম্পদের ব্যবহার এবং দৃঢ়ভাবে চীনের ভূখণ্ডগত সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে।

প্রবন্ধে ছয়টি মূল দিককে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে: প্রথমত, শীর্ষ পর্যায়ের নকশা এবং নীতিগত সহায়তা জোরদার করা। দ্বিতীয়ত, সামুদ্রিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির স্বাধীন উদ্ভাবন ক্ষমতা উন্নত করা। তৃতীয়ত, সামুদ্রিক শিল্পকে শক্তিশালী, প্রসারিত এবং এর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। চতুর্থত, প্রধান উপসাগরীয় অঞ্চলগুলোর সামগ্রিক পরিকল্পনা জোরদার করা। পঞ্চমত, সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ষষ্ঠত, বিশ্বব্যাপী সমুদ্র শাসনে গভীরভাবে অংশগ্রহণ করা।

লিলি/তৌহিদ/রুবি

Rate This Article

How would you rate this article?

এম রহমান

এম রহমান

ডেস্ক সম্পাদক

More than 3 years experience on reporting in various fields.

Our Editorial Standards

We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.

Fact-Checked

This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.

Expert Review

Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.

Regularly Updated

We regularly update our content to ensure it remains current.

Unbiased Coverage

We strive to present balanced information.